How To Earn From Online||অনলাইনে কিভাবে আয় করা যায়|

অাপনাকে যদি বলা হয় যে অাপনি ঘরে বসে প্রতিদিন ৫ থকে ৬ ঘন্টা কম্পিউটারে সময় দিবেন এর বিনিময়ে আপনাকে প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা দেয়া হবে। তাহলে কে করতে চাইবে না এমন কাজ।

হ্যাঃ আজকে আমি কথা বলবো যে ঘরে বসে কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। এবং কোন কোন পদ্ধতি অনুসরন করলে অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই টাকা কামানো সম্ভব।

  • অনলাইন কি আসলেই টাকা দেয়?
  • অনলাইনের মাধ্যমে কি আসলেই ঘরে বসে ইনকাম করা যায়?
  • কি করলে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যাবে?

এই সকল ধরনের প্রশ্নের উত্তর আজকে আমি আপনাদেরকে দেয়ার চেষ্টা করবো।

অনলাইনে আয়ের যত পদ্ধতি?

১.ফ্রিলান্সিং করে আয়।
২.গুগল এডসেন্স থেকে আয়।

এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে ফ্রিলান্সিং আবার কি?

ফ্রিলান্সিংঃ

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগ মানুষ এখন কম্পিউটার নির্ভরশীল। পৃথিবির সব উন্নত রাষ্ট গুলোতে শ্রমের মুল্য অনেক বেশি। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে কিন্তু শ্রমের মুল্য অনেক কম। তাই পৃথিবির উন্নত উন্নত সব রাষ্ট গুলো অনলাইনের মাধ্যমে সল্প কিছু মুল্যের বিনিময়ে পৃথিবির বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক ক্রয় করে থাকে। এবং আমরা আমাদের দক্ষতাকে সামান্য কিছু  অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে থাকি। সহজ ভাবে বলতে গেলে অনলাইনের মাধ্যমে আমাদের শ্রম বিক্রি করাকেই বলা হয় ফ্রিলান্সিং।

এতক্ষন তো জানলাম ফ্রিলান্সিং কি?

এখন মনের মধ্যে প্রশ্ন আসতে পারে যে ফ্রিলান্সিং আবার কেমনে করে?
ফ্রিলান্সিং শব্দটা অনেক ছোট হলেও এর বাস্তব রুপ কিন্তু অনেক বড়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ফ্রিলান্সিং হলো একটি গাছ আর এর বাস্তব রুপ হলো গাছের পাতা গোনার মতো।

ফ্রিলান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ানোর জন্য আপনাকে অনেকটা সময় এবং অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। আপনি যদি চান যে আমি এক মাসের মধ্যে ফ্রিলান্সিং শিখে আয় করবো তাহলে আমি বলবো আপনি অনলাইন জগতে কিছুই করতে পারবেন না।

ফ্রিলান্সিং করতে হলে কি কাজ শিখতে হয়?

ফ্রিলান্সিং করার জন্য যে কাজ গুলো শিখতে হয় এবং যে কাজগুলো করলে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করা যায় সেই বিষয়ে নিচে কিছু ধারনা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

১.ওয়েব ডেভেলোপার এবং ওয়েবসাইট ডিজাইনার।
২.ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলোপার।
৩.গ্রাফিক্স ডিজাইনার।
৪.এস,ই,ও।
৫.ডিজিটাল মার্কেটিং।
৬.ফেসবুক মার্কেটিং।
৭.ইনষ্টাগ্রাম মার্কেটিং।
৮.টুইটার মার্কেটিং।
.ইমেইল মার্কেটিং।
৮.লিড জেনারেশন।

আরও অনেক কাজ রয়েছে এর মধ্যে উপরের কাজ গুলো প্রচুর পরিমানে মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে অনেক ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে যেগুলোতে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করার সকল ধরনের কাজ শিখিয়ে থাকে।
এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে উপরের কাজগুলো না হয় যে কোন প্রকারে শিখলাম। ইউটিউব কিংবা গুগল থেকে অথবা কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে কোর্স করে।

  •  কাজ তো আমি পারি কিন্তু কাজ পাবো কোথায়?
  •  কিংবা আমাকে কাজ দিবে কে?

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টঃ

অনলাইনের কাজ করে নেয়ার জন্য অনেক গুলো মাধ্যম আছে যেখানে আপনি আপনার কাজের দক্ষতা প্রকাশ করবেন। এবং যার কাজের দরকার তার যদি আপনার কাজ ভালোলাগে তাহলে সে আপনাকে কাজের জন্য অর্ডার করবে।

অনলাইন কাজ পাওয়া যায় এমন কিছু জনপ্রিয় ওযেব সাইটের নামঃ

1.https://www.fiverr.com/
2.https://www.freelancer.com/
3.https://www.upwork.com/

উপরে আমি আপনাদের সাথে যে কয়েকটা ওয়েবসাইটের নাম সেয়ার করলাম এই ওয়েবসাইট গুলোতে আপনি আপনার কাজের জন্য এপ্লাই করলে অবস্যই কাজ করতে পারবেন। এবং আপনি একজন সফল ফ্রিলান্সার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পারবেন।

এতক্ষন আমি কথা বললাম অনলাইনের মাধ্যমে আয়ের প্রথম পদ্ধতি ফ্রিলান্সিং নিয়ে।

এখন আমি আপনাদের সাথে সেয়ার করবো অনলাইনের মাধ্যমে আয়ের দিত্বীয় পদ্ধতি

  • গুগল এডসেন্স নিয়ে।

আপনারা হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন যে

  • গুগল এডসেন্স আবার কি?

গুগল এডসেন্সঃ

গুগল এডসেন্স হলো গুগলের একটি সেবা আমরা জানি যে অনলাইন জগতটাকে শতকরা ৮০% গুগল দখল করে রেখেছে। অনলাইনে যেখানেই যান গুগলের আপনার সাহায্য নিতেই হবে।
গুগল এডসেন্স হলো গুগলের একটি চমকপ্রদ সার্ভিস। যেখানে গুগল বিভিন্ন কোম্পানির প্রচার করে থাকে।

গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়।

১. ইউটিউব।
২.ওয়েবসাইট।

ইউটিউবঃ

এখন প্রশ্ন জাগতে পারে ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম হয়।

আপনি যদি ভালো ভিডিও বানাতে পারেন তাহলে সেই ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন এবং গুগলের কিছু নিয়ম কানুন মানার পরে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

ইউটিউবে গুগল এডসেন্স পাওযার জন্য আপনাকে অবস্যই ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াস টাইম এবং ১ হজার স্যাবসক্রাইব পুরন করতে হবে তবেই গুগল আপনাকে এডসেন্স দিবে।

ওয়েবসাইটঃ

ইউটিউবের মতো ওয়েবসাইটেরও কিছু নিয়ম মানতে হবে। আপনি যদি লিখতে পছন্দ করেন তাহলে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে আপনি একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

গুগল এসসেন্স কিভাবে টাকা দেয?

আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেলের যখন জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে তখন গুগল আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন কোম্পানির এড দিবে যার বিনিময়ে গুগল কিছু অর্থ পাবে এবং আপনার চ্যানেলে এড দেখানোর বিনিময়ে আপনি কিছু অর্থ পাবেন।

এভাবে গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করা যায।

প্রিয় পাঠক বৃন্দ,

আমি আমার আজকের এই টিউনটির মাধ্যমে
আপনাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি কোন কোন উপায়ের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করা করা যায় । যানিনা আমি আপনাদের কতটুকু বোঝাতে পেরেছি। আমার আজকের এই টিউনটি পরে আপনাদের যদি ভালোলেগে থাকে তাহলে আপনাদের মন্তব্য কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আর আমার এই লেখার মধ্যে কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।    *একক্ষন ধৈর্য সহকারে টিউনটি পরার জন্য ধন্যবাদ*

Tags:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *